ধনী দেশগুলো বারবার প্যারিস জলবায়ু চুক্তির অঙ্গীকার পূরণে ব্যর্থ হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার।

তিনি আরও বলেন, আমরা দয়া বা ঋণ হিসেবে জলবায়ু অর্থায়ন চাই না; এটি আমাদের অধিকার। তাই এটিকে অনুদান আকারে দেওয়ার স্পষ্ট দাবি জানাচ্ছি। 

বাংলাদেশ সময় রোববার ব্রাজিলের বেলেমে জাতিসংঘ জলবায়ু সম্মেলন কপ৩০-এর ব্লু জোনে অবস্থিত বাংলাদেশ প্যাভিলিয়নে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

উপদেষ্টা বলেন, যারা জলবায়ু পরিবর্তনের জন্য দায়ী এবং যারা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত—তাদের মধ্যে এক অসম যুদ্ধ চলছে। বাংলাদেশ থেকে বা  দুর্বল রাষ্ট্রগুলোর প্রতিনিধি হিসেবে যখন এখানে এসেছি, তখন আরও স্পষ্টভাবে তা অনুভব করেছি।

জেন্ডার সংক্রান্ত চ্যালেঞ্জের বিষয়ে জলবায়ু নীতিতে নারীর অংশগ্রহণের ঘাটতি দূর করার আহ্বান জানান তিনি। ফরিদা আখতার বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন নারীদের ওপর মারাত্মক প্রভাব ফেলে। ভবিষ্যতে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়েরও জাতিসংঘের জলবায়ু সম্মেলনে সক্রিয়ভাবে অংশ গ্রহণ থাকতে হবে।

তিনি বলেন, জলবায়ু সম্মেলনে তরুণদের অংশগ্রহণ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। বিভিন্ন সাইড ইভেন্টে তাদের উপস্থিতি ও বক্তব্য এবং তাদের উত্থাপিত প্রশ্ন জলবায়ু আলোচনায় নতুন মাত্রা যোগ করেছে। কারণ ভবিষ্যতের জলবায়ু নেতৃত্ব তাদের হাতেই গড়ে উঠবে। 

মৎস্য উপদেষ্টা বলেন, নদীর গতিপথ পরিবর্তন, প্রজননস্থল নষ্ট হয়ে যাওয়া এবং জলবায়ুজনিত প্রভাব দেশের জাতীয় মাছ ইলিশকে সংকটে ফেলছে। এতে ঝুঁকিতে পড়েছেন মৎস্যজীবীরাও। বাংলাদেশের ইলিশ সম্পদ রক্ষায় বিশ্ব সম্প্রদায়ের সহযোগিতা জরুরি।

সংবাদ সম্মেলনে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মোহাম্মদ নাভিদ শফিউল্লাহ, অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের অতিরিক্ত সচিব এ কে এম সোহেল, পরিবেশ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক জিয়াউল হক, পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিচালক মির্জা শওকত আলী, সেন্টার ফর ক্লাইমেট জাস্টিস বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক এম. হাফিজুল ইসলাম খানসহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

">
সর্বশেষ খবর:
বেলেম থেকে অভি আহমেদ জুয়েল : ব্রাজিলে জলবায়ু সম্মেলনে ‘লোকায়ত স্থাপত্য’ আলোচনার গুরুত্ব জলবায়ু অর্থায়ন দয়া বা ঋণ হিসেবে চাই না, এটি আমাদের অধিকার: উপদেষ্টা জলবায়ু পরিবর্তন ইস্যুতে তরুণদেরও সম্পৃক্ত করতে হবে : পরিবেশ উপদেষ্টা রাশিয়ায় আন্তর্জাতিক জলবায়ু অলিম্পিয়াডে বাংলাদেশের সাফল্য ধনী দেশগুলো প্যারিস জলবায়ু চুক্তির অঙ্গীকার পূরণে ব্যর্থ : মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা জাতিসংঘ আগামী শুক্রবার বিলুপ্ত হয়ে গেলে বিশ্বজুড়ে কী হতে পারে শেষ বিশ্বকাপ খেলার ঘোষণা দিলেন রোনালদো অ্যামাজনে ১ লাখ গাছ কেটে ‘জলবায়ু বাঁচাও’ যাত্রা শুরু জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় বিসিসিটি ফান্ডের আওতায় ১৮ প্রকল্প অনুমোদন জলবায়ু বিপর্যয় ঠেকাতে ব্রাজিলের চেষ্টা ব্রাজিলে এবারের জলবায়ু সম্মেলন অনেক ঝক্কির জলবায়ু সম্মেলনের আগে ব্রাজিলে ব্যাপক অভিযান, নিহত ২০ ঢাকা বায়ুদূষণে আজ বিশ্বে তৃতীয়, সুরক্ষায় যা করতে হবে ব্রাজিলের বেলেমে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে এবারের জলবায়ু সম্মেলন 'কপ-৩০' জলবায়ু রহস্যের সূত্র মিলছে পামির পর্বতের বরফে বলিউড অভিনেতা বরুণ ধাওয়ানের জন্মদিন আজ নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন আনসার আল ইসলামের বিভাগীয় নেতা গ্রেপ্তার ‘প্রতিভার খোঁজে’ প্রতিযোগিতায় কবিতা আবৃত্তিতে দ্বিতীয় ডোমারের জিতি ডিলিট হয়ে যাওয়া ফাইল রিকভারি করার উপায়! ডাটা রিকভারি ডোমারের পাঁচ কৃতি শিক্ষার্থীর মেডিকেল জয়

ধনী দেশগুলো প্যারিস জলবায়ু চুক্তির অঙ্গীকার পূরণে ব্যর্থ : মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা

নিজস্ব প্রতিনিধি

১৬ নভেম্বর, ২০২৫, ২ সপ্তাহ আগে, : 0

ধনী দেশগুলো প্যারিস জলবায়ু চুক্তির অঙ্গীকার পূরণে ব্যর্থ : মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা

 ধনী দেশগুলো বারবার প্যারিস জলবায়ু চুক্তির অঙ্গীকার পূরণে ব্যর্থ হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার।

তিনি আরও বলেন, আমরা দয়া বা ঋণ হিসেবে জলবায়ু অর্থায়ন চাই না; এটি আমাদের অধিকার। তাই এটিকে অনুদান আকারে দেওয়ার স্পষ্ট দাবি জানাচ্ছি। 

বাংলাদেশ সময় রোববার ব্রাজিলের বেলেমে জাতিসংঘ জলবায়ু সম্মেলন কপ৩০-এর ব্লু জোনে অবস্থিত বাংলাদেশ প্যাভিলিয়নে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

উপদেষ্টা বলেন, যারা জলবায়ু পরিবর্তনের জন্য দায়ী এবং যারা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত—তাদের মধ্যে এক অসম যুদ্ধ চলছে। বাংলাদেশ থেকে বা  দুর্বল রাষ্ট্রগুলোর প্রতিনিধি হিসেবে যখন এখানে এসেছি, তখন আরও স্পষ্টভাবে তা অনুভব করেছি।

জেন্ডার সংক্রান্ত চ্যালেঞ্জের বিষয়ে জলবায়ু নীতিতে নারীর অংশগ্রহণের ঘাটতি দূর করার আহ্বান জানান তিনি। ফরিদা আখতার বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন নারীদের ওপর মারাত্মক প্রভাব ফেলে। ভবিষ্যতে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়েরও জাতিসংঘের জলবায়ু সম্মেলনে সক্রিয়ভাবে অংশ গ্রহণ থাকতে হবে।

তিনি বলেন, জলবায়ু সম্মেলনে তরুণদের অংশগ্রহণ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। বিভিন্ন সাইড ইভেন্টে তাদের উপস্থিতি ও বক্তব্য এবং তাদের উত্থাপিত প্রশ্ন জলবায়ু আলোচনায় নতুন মাত্রা যোগ করেছে। কারণ ভবিষ্যতের জলবায়ু নেতৃত্ব তাদের হাতেই গড়ে উঠবে। 

মৎস্য উপদেষ্টা বলেন, নদীর গতিপথ পরিবর্তন, প্রজননস্থল নষ্ট হয়ে যাওয়া এবং জলবায়ুজনিত প্রভাব দেশের জাতীয় মাছ ইলিশকে সংকটে ফেলছে। এতে ঝুঁকিতে পড়েছেন মৎস্যজীবীরাও। বাংলাদেশের ইলিশ সম্পদ রক্ষায় বিশ্ব সম্প্রদায়ের সহযোগিতা জরুরি।

সংবাদ সম্মেলনে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মোহাম্মদ নাভিদ শফিউল্লাহ, অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের অতিরিক্ত সচিব এ কে এম সোহেল, পরিবেশ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক জিয়াউল হক, পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিচালক মির্জা শওকত আলী, সেন্টার ফর ক্লাইমেট জাস্টিস বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক এম. হাফিজুল ইসলাম খানসহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন।